মেঘ
নমস্কার বন্ধুরা,
সময়ের পালাবদলে একটা প্রশ্ন থেকে যায়,আমরা আসলেই কি ঠিক ছিএলাম?আজকে এই ব্যস্ততম জীবনে দাঁড়িয়ে ফেরার তো আসলেই কোনো পথ নেই তবুও ভাবনারা আসে।
আকাশ শুধু একটা বিরাট আশ্রয় নয়,
সে কখনও কখনও
আমাদের সবচেয়ে বড় আয়না।
আমরা যত দূরে তাকাই,
তত নিজের ভেতরের শূন্যতাই
আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
মেঘ জমলে মনে হয়
অসংখ্য না-বলা কথারও
একটা আবহাওয়া আছে,
বৃষ্টি নামলে বোঝা যায়
সব কান্না চোখ দিয়ে নামে না।
কিছু দুঃখ
আকাশের মতোই বিস্তৃত—
কোনো দেয়ালে ধরে না,
কোনো ঘরে আটকে থাকে না,
শুধু মাথার উপর
চুপচাপ ছড়িয়ে থাকে।
আমরা তার নিচে
প্রতিদিনের জীবন চালিয়ে যাই—
রাস্তা পার হই,
চা খাই,
কারও সঙ্গে ভবিষ্যতের কথা বলি,
আর ভেতরে ভেতরে
অসংখ্য অসমাপ্ত বিদায় বহন করি।
আকাশ শুধু একটা বিরাট আশ্রয় নয়,
সে সাক্ষীও—
আমাদের প্রথম প্রেমের,
শেষ দেখা হওয়ার,
একটা ভাঙা প্রতিশ্রুতির,
আর সেইসব রাতের
যখন আমরা কাউকে না জানিয়ে
নিজেদের সঙ্গে যুদ্ধ করেছি।
কখনও সে নির্মম নীল,
যেন পৃথিবীতে কিছুই ঘটেনি।
কখনও কালো হয়ে নামে,
যেন আমাদের সমস্ত ক্ষত
সে নিজেই বহন করছে।
তবু ভোর হলে
আলো ঠিক ফিরে আসে।
এই ফিরে আসাটাই হয়তো
আকাশের সবচেয়ে গভীর শিক্ষা—
অন্ধকারেরও সীমা আছে,
কিন্তু শূন্যতার নেই।
আর মানুষ
সেই শূন্যতার নিচে দাঁড়িয়েও
একদিন আবার
উপরে তাকাতে শেখে।
তখন বোঝা যায়—
আকাশ শুধু আশ্রয় নয়,
সে আমাদের ভাঙা স্বপ্নের ছাদ,
আমাদের হারিয়ে যাওয়া মানুষের ঠিকানা,
আর এখনও বেঁচে থাকার
এক বিশাল, নীরব কারণ।
VOTE @bangla.witness as witness

OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |



