ঘর
নমস্কার বন্ধুরা,
সময়ের পালাবদলে একটা প্রশ্ন থেকে যায়,আমরা আসলেই কি ঠিক ছিএলাম?আজকে এই ব্যস্ততম জীবনে দাঁড়িয়ে ফেরার তো আসলেই কোনো পথ নেই তবুও ভাবনারা আসে।
প্রতিবাদ এখন খুব আরামপ্রিয়—
শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বসে
সে অন্যায়ের তাপমাত্রা মাপে,
তারপর সুবিধামতো একটি বাক্য লিখে
রাতের খাবারে চলে যায়।
রাস্তায় তখনও কেউ দাঁড়িয়ে থাকে,
চোখে ধুলো, গলায় স্লোগান,
পকেটে ফেরার ভাড়া নেই—
কিন্তু তার ছবির নিচে
হাজার মানুষ আগুনের চিহ্ন রেখে যায়।
আমরা ক্রমশ শিখে গেছি
রাগকে সাজাতে,
ক্ষোভকে ফ্রেমে বাঁধতে,
বিবেককে এমন উচ্চতায় রাখতে
যেখান থেকে মাটির কান্না শোনা যায় না।
এখন প্রতিবাদও হিসাব বোঝে—
কোন সত্য বললে বন্ধু কমবে,
কোন নীরবতায় চাকরি থাকবে,
কোন অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ালে
নিজের দরজায় কড়া নাড়বে না বিপদ।
তবু শহরের কোথাও কোথাও
এখনও কিছু মানুষ
সুবিধার বাইরে ঘুমায়—
তাদের কণ্ঠে মাইক নেই,
কিন্তু সত্য আছে।
আর সেই সত্যই একদিন
সব আরামদায়ক প্রতিবাদের দরজায়
নিঃশব্দে এসে দাঁড়াবে—
জিজ্ঞেস করবে,
তুমি কাকে বাঁচাতে চেয়েছিলে—
মানুষকে,
না নিজের নিরাপদ মুখটাকে?
VOTE @bangla.witness as witness

OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |



