নিস্তব্ধতা
নমস্কার বন্ধুরা,
সময়ের পালাবদলে একটা প্রশ্ন থেকে যায়,আমরা আসলেই কি ঠিক ছিএলাম?আজকে এই ব্যস্ততম জীবনে দাঁড়িয়ে ফেরার তো আসলেই কোনো পথ নেই তবুও ভাবনারা আসে।
কেন এই নিস্তব্ধতা—
যেন শহরের বুক থেকে
সব শব্দ কেউ তুলে নিয়ে গেছে
এক অদৃশ্য থালায়।
রাস্তাগুলো পড়ে আছে,
কিন্তু কোথাও যাওয়ার তাড়া নেই;
বাতিগুলো জ্বলছে,
তবু আলো যেন কারও পক্ষে সাক্ষী দিচ্ছে না।
জানালার কাচে মুখ রাখলে
নিজেকেই অপরিচিত লাগে,
যেন এতদিন যে মানুষ ছিলাম
সে আজ অন্য কারও স্মৃতিতে বাস করছে।
কেন এই নিস্তব্ধতা—
ভাঙা সম্পর্কের পর?
না কি দীর্ঘ অপেক্ষার শেষে?
না কি সেইসব কথার জন্য
যেগুলো বলা হয়নি কখনো,
শুধু গলায় জমে পাথর হয়েছে?
সময়ও আজ ধীরে হাঁটে,
ঘড়ির কাঁটা যেন অনুতাপের মতো
একই জায়গায় ফিরে আসে বারবার।
কেউ ডাকছে না,
কেউ ফিরছেও না,
তবু দরজার দিকে তাকিয়ে থাকে মন—
এই অভ্যাসেরও কি কোনো মৃত্যু নেই?
নিস্তব্ধতা আসলে শব্দহীনতা নয়,
এ এক গভীর ভিড়—
হারানো মুখ,
অসমাপ্ত বাক্য,
অল্প আলোয় বসে থাকা পুরোনো ভুল,
আর এক জীবনের ভিতরে
আরেক জীবন বেঁচে থাকার ক্লান্তি।
তবু কোথাও
একটি পাতা নড়ে ওঠে,
দূরে কোনো পাখি ডাকে,
অন্ধকারের ভিতর দিয়ে
এক সরু বাতাস এসে বলে—
সব চুপ মানেই শেষ নয়।
কিছু নীরবতা
মানুষকে ভেঙে দেয়,
কিছু নীরবতা
মানুষকে নতুন করে শোনায়
নিজের ভিতরের শব্দ।
তাই এই নিস্তব্ধতার মধ্যেও
আমি দাঁড়িয়ে আছি—
হারিয়ে নয়,
বরং অপেক্ষায়;
যে একদিন
আমার বুকের বন্ধ দরজাগুলো খুলে যাবে,
আর জীবন আবার বলবে—
“আমি আছি।”
আরও বিষণ্ণ, আরও দার্শনিক, অথবা আরও প্রেমভাঙা ভঙ্গিতে চাইলে একই প্রসঙ্গে আরেকটি সংস্করণ করা যাবে।
VOTE @bangla.witness as witness

OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |



