পরিত্যক্ত হাসপাতালের রহস্য ( পর্ব ১১ )
Image Created by OpenAI
আপনাদের সাথে নতুন একটি গল্প "পরিত্যক্ত হাসপাতালের রহস্য" এর একাদশ পর্ব শেয়ার করে নেবো। তো এরপরে নার্সটা ধীরে ধীরে অর্ণব এর দিকে মাথা তুলে তাকালো। অর্ণব দেখলো, তার মুখটা খুবই অদ্ভূত ধরণের অর্থাৎ ত্বক ফ্যাকাশে ধূসর, ঠোঁট নীলচে, আর চোখ… সম্পূর্ণ সাদা ছিল। এরপর নার্স কাচের দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকল। কিন্তু দরজাটা নিজে থেকেই খুলে গেল কোনো শব্দ ছাড়াই। অর্ণব তখন বুঝতে পারল, সে বড়ো কোনো ফাঁদে পড়েছে। এরপর নার্সটি ধীরে ধীরে অর্ণব এর সামনে এসে দাঁড়ালো। এরপর নার্স ট্রে থেকে সিরিঞ্জটা তুলে নিল এবং সুঁইয়ের ভেতর তরল ছিল কালচে ধরণের। না… না… অর্ণব মাথা নাড়ার চেষ্টা করল। কারণ অর্ণব ভাবছে এই সিরিঞ্জ তাকে দেবে।
নার্সটা ঝুঁকে এল, কিন্তু তার নিঃশ্বাসে তীব্র পচা গন্ধ ছিল। নার্স অর্ণবকে ফিসফিস করে বলল- তুমি আবার পালাতে চেয়েছিলে! অর্ণবের চোখ তখন বড় হয়ে গেল। অর্ণব আসলে কিছুই বুঝে উঠতে পারছে না যে, আসলে তার সাথে কি হচ্ছে। নার্স অর্ণবকে আরো বললো- তুমি তো জানো, রোগীরা বাইরে গেলে রোগ ছড়িয়ে পড়ে। এরপর সে অর্ণবের হাতের শিরা খুঁজতে লাগল। হঠাৎ করে তখন অর্ণব এর মাথার মধ্যে কিছু দৃশ্য ভেসে উঠলো, অর্থাৎ- রাত, বৃষ্টি, এই হাসপাতালের করিডর, মানুষ দৌড়াচ্ছে, কেউ আবার চিৎকার করছে। আর সে নিজে- রক্তমাখা হাতে দাঁড়িয়ে আছে। অর্ণব চোখ বন্ধ করে একাগ্রতা চিত্তে বললো- না, এটা আমার স্মৃতি নয়। ঠিক তখনই হাসপাতালের কোথাও একটা বিকট শব্দ হল। মনে হলো যেনো কোনো ভবন ভেঙে পড়ার শব্দের মতো।....
