স্ট্রীট ফুড

copyright free image source: PixaBay
বিশ্বের প্রায় সব দেশেই স্ট্রীট ফুড ভীষণ পপুলার । আমাদের দেশে বোধ হয় একটু বেশিই পপুলার । রাস্তা ঘাটে, অলিতে গলিতে প্রচুর স্ট্রীট ফুডের দোকান রয়েছে । স্ট্রীট ফুড খাওয়া যদিও খুব আনহেলদি তারপরেও কম দামে ঝটপট সুস্বাদু মুখরোচক খাবার বলতে স্ট্রীট ফুড ছাড়া গতি নেই আর কোনো ।
ছোট থেকে বুড়ো হেনো মানুষ নেই যার স্ট্রীট ফুড ভালো লাগে না । ভারতবর্ষে রাজ্য ভেদে বিভিন্ন মুখরোচক স্ট্রীট ফুড পাওয়া যায় । এক এক স্টেটে এক এক রকমের স্ট্রীট ফুড সেরা । আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে সাধারণত বাঙালি ফাস্ট ফুডই বেশি জনপ্রিয় । তারপরেও এখন তিব্বত, নেপাল, চায়না সহ দেশের অন্য রাজ্যগুলির কিছু কিছু স্ট্রীট ফুড বেশ পপুলার এখন আমাদের রাজ্যে ।
প্রথমেই আসি তেলেভাজা প্রসঙ্গে । বস্তুতঃ আমাদের রাজ্যে স্ট্রীট ফুডের জনপ্রিয়তার একদম শীর্ষে অবস্থান করছে তেলেভাজা । আলুর চপ, বেগুনি, সিঙ্গাড়া, ডিমের চপ, ফুলকপির চপ, মাছের চপ, ফুলুরি, ডাল বড়া, ভেজিটেবল চপ, পকোড়া, ডাল পুরি, কচুরি এইসব । এছাড়াও এর পাশাপাশি ছোলা, ঘুগনি, ঝাল মুড়ি, জিলেপী এবং পাঁপড় ভাজাও খুবই জনপ্রিয় ।
আমাদের পাড়াতে বিকেল হলেই চলে আসে তিনটে স্পটে ঘুগনি এবং ফুচকা ওয়ালা । হিন্দিতে যা পানি পুরি বাংলায় তাই হলো ফুচকা । ফুচকা বিশেষ করে মেয়েদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটা স্ট্রীট ফুড । আমাদের রাজ্যে চা-পান-বিড়ির থেকে ১০ গুন্ বেশি হলো ফুচকার অস্থায়ী ষ্টল । অলিতে গলিতে শুধু ফুচকাওয়ালা আর ফুচকাওয়ালা ।
এখন কিন্তু, এই ফুচকার সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে আরো কয়েকটি স্ট্রীট ফুডের দোকান । তার মধ্যে সব চাইতে জনপ্রিয় হলো মোমো । নেপাল ও তিব্বতের ফাস্ট ফুড এখন বাংলায় স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে । ভেজ ও নন ভেজ দু'রকমের মোমোই পশ্চিমবঙ্গে ভীষণ জনপ্রিয় । এরই সাথে আরো দু'টো ফাস্ট ফুড রেপিডলি গ্রো করছে । চাওমিন এবং রোল ।
চাওমিন স্কুল কলেজ এবং অফিস পাড়াতে সব চাইতে বেশি পপুলার । সস্তাতে পেট ভরাতে চাওমিনের জুড়ি মেলা ভার । এগ চাওমিন আর চিকেন চাওমিন - এই দু'রকমই চলে সব চাইতে বেশি । এবারে আসি রোলের কথায় । সন্ধ্যা ঘনালেই রোলের দোকানগুলোতে উপচে পড়া ভীড় দেখা যায় । এগ রোল আর চিকেন রোল - এই দু'রকমের রোলে মজেছে আপামর পশ্চিমবঙ্গবাসী ।
রোল আর চাওমিনের পাশাপাশি ফিস কাটলেট, চিকেন কাটলেট, ফিস কবিরাজি, চিকেন ললিপপ, চিকেন পকোড়া, এগ ডেভিলও ভালোই চলে । সন্ধ্যের একটু আগে থেকে রাত আটটা অব্দি একটানা ভিড় জমে থাকে স্ট্রীট ফুডের দোকানগুলোতে ।
স্বাদে অতুলনীয় হলেও স্বাস্থ্যের জন্য ততটা নয় আমাদের দেশের স্ট্রীট ফুড ।
------- ধন্যবাদ -------
পরিশিষ্ট
আজকের টার্গেট : ৫৫৫ ট্রন জমানো (Today's target : To collect 555 trx)
তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩
টাস্ক ৩৯৫ : ৫৫৫ ট্রন ডিপোজিট করা আমার একটি পার্সোনাল TRON HD WALLET এ যার নাম Tintin_tron
আমার ট্রন ওয়ালেট : TTXKunVJb12nkBRwPBq2PZ9787ikEQDQTx
৫৫৫ TRX ডিপোজিট হওয়ার ট্রানসাকশান আইডি :
TX ID : 5a8f87f7aa886761f76d1d012e6af22d65ef52e3f45b7977018302245ea6ab8a
টাস্ক ৩৯৫ কমপ্লিটেড সাকসেসফুলি
Account QR Code
VOTE @bangla.witness as witness
OR


.png)

দাদা যারা স্ট্রীট ফুড খায় তারা সচেতনতার কথা খুব একটা চিন্তা করে না। স্ট্রিট ফুড খাওয়া হয় মূলত সাদের কথা চিন্তা করে। আমাদের শহরে ইদানিং দেখতে পাচ্ছি প্রচুর বার্গারের ফুড কার্ট হয়েছে। আর ফুচকা তো আগা গোড়াই সকলের প্রিয় খাবার। ধন্যবাদ দাদা।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
কথা সত্যি স্ট্রীট ফুড দেখতে যতটা আকর্ষনীয় স্বাস্থ্যের জন্য ততোটা ভালো নয়।বাইরের খাবার যদিও আমার খাওয়া হয়না।আর ভাজা ভুজি তো একদমই নয়।আমাদের দেশে ও বিকেল থেকে নানা রকমের বাহারি ভাজা ভুজি দেখতে পাওয়া যায়। সব মানুষের উপচে পরা ভীড় লক্ষ্য করা যায়। আমার লোভ হয় শুধু মোমোর উপর।চিকেন মোমো গরম গরম উফফ।তাই পছন্দের এই খাবারটি নিজের হাতেই করে খেতে পছন্দ করি।ধন্যবাদ দাদা সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
শুরুটাতো ভালোই করেছিলেন দাদা কিন্তু মাঝে ফুচকার কথা বলে লোভ লাগিয়ে দিলেন, জীবে তো জল চলে আসলো। তবে জিলাপী এবং ঘুগনি বেশ লাগে আমার কাছে।
একদম ঠিক বলেছেন দাদা, সবার পছন্দের খাবার এই স্ট্রিট ফুড।মুখরোচক খাবার হওয়ায় স্বাস্থ্যকর না জেনেও আমরা এই স্ট্রিট ফুড খেয়ে থাকি।সব দেশেই এই খাবারের প্রচলন আছে।তবে ইন্ডিয়া তে যে বেশি এটা শুনেছি।ফুসকা তো মেয়েদের একটু বেশি প্রিয়।তবে বর্তমান ছেলেরাও সমান তালে ফুসকা পছন্দ করে দাদা।এছাড়াও মোমো এখন বেশ জনপ্রিয়।আরো সব স্ট্রিট ফুডের নাম বলেছেন সবগুলোই মুখরোচক।ধন্যবাদ দাদা সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
স্ট্রীট ফুড, বিশ্বে এমন কোন দেশ নেই যে সেই দেশের মানুষের এই খাবারগুলো অপছন্দ। অনেক সময় দেখা যায় কোন একটা জায়গায় এই স্টেট ফুড তৈরি করা হচ্ছে এবং বিক্রি করা হচ্ছে। এ ধরনের খাবারগুলো অতিরিক্ত মাত্রায় মুখোরুচর জন্য মানুষের কাছে এত প্রিয়। ছোট-বড় সবাই এখানে খাবারগুলো খেতে পছন্দ করে। তবে আমার মনে হয় ফুচকা মানুষের বেশি প্রিয়।
দাদা সবই চিনলাম মোটামোটি কিন্তু ঘুগনি কোনটা চিনতে পারলাম না । এখন যে অবস্থা ফুচকা না খেলে চলেই না মেয়েদের। যাদের এই অভ্যাস গড়ে গিয়েছে তারা বিকেল হলেই চলে যায় ফুচকার দোকানে সাথে ভেলপুরি তো আছেই। আপনাদের মতো আমাদের দেশেও এসব দোকান পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। যদিও এসব স্ট্রীট ফুড আমাদের শরীরের জন্য ভালো না।
সত্যি বলতে দাদা পৃথিবীর সব স্ট্রিট ফুড একদিকে আর আমার কাছে আলুর চপ, বেগুনী সিঙ্গারা একদিকে। এগুলো কিছু টা অস্বাস্থ্যকর কিন্তু এগুলো ছাড়া বাঙালির জীবন অপূর্ণ হা হা। তবে মেয়েদের ফুসকা প্রেম টা যেন অনেক অনেক বেশি।। তবে আমাদের দেশে স্ট্রিট ফুড হিসেবে চাওমিন বা কাটলেট খুব একটা জনপ্রিয় না। স্ট্রিট ফুড নিয়ে আপনার পোস্ট টা বেশ ভালো লাগল দাদা।।
স্ট্রীটফুড লাভারদের জন্য স্বাস্থ্যের বিষয় টা মাথায় রাখা খুবই দুষ্কর দাদা। সব জেনেশুনেও স্ট্রীট ফুড থেকে দূরে থাকা যায় না দাদা। আমাদের এখানেও অলিতে গলিতে ফুসকা, দই-ফুসকা, চটপটি, ভেলপুরি, পানিপুরি, মুড়িমাখা, মোমো আর ওয়াফেল এর দোকান। সাথে তেলে ভাজা তো আছেই।
কি করলেন দাদা এসব? একে তো জ্বরে গা পুড়ে যাচ্ছে, তার মধ্যে আপনার পোস্টে ঢুকে দেখি এত এত লোভনীয় এবং মুখোরোচক খাবার। দেখেই তো পেট আর জিভ একসাথে চু চু করছে। এরকমের খাবার গুলোর নাম শুনলেই জিভে জল আসে। আর দাদা আমাদের দেশেও সেই একই অবস্থা। সেই বিকাল থেকে শুরু হয় রাত ১১-১২ টা পর্যন্ত চলে এসব খাবার এর দোকান গুলো। দারুন ছিল আজকের পোস্টটি দাদা।