আমার বাংলা ব্লগ - একটু হাসি || কৌতুক সপ্তাহ - ৮৯
আমার বাংলা ব্লগের আরো একটি নতুন আয়োজন- এবিবি একটু হাসি’তে সবাইকে স্বাগতম জানাচ্ছি। এটা একটু ভিন্ন ধরনের উদ্যোগ, মনের উচ্ছ্বাসে প্রাণ খুলে হাসার আয়োজন। যেখানে সবাইকে নিয়ে প্রতি সপ্তাহের একটা দিন একটু অন্য রকমভাবে কৌতুকের সাথে আনন্দ করার প্রয়াস চালানো হবে। নিজেকে একটু অন্য রকমভাবে প্রকাশ করতে হবে, সবাইকে নিজের কথায় কিংবা কৌতুকে মাতিয়ে রাখতে হবে। বিষয়টি যেন আরো বেশী আকর্ষণীয় হয়ে উঠে সেই জন্য প্রতি সপ্তাহে পাঁচজনকে $২.০০ ডলার করে মোট $১০.০০ ডলার এর ভোট দেয়া হবে। তবে যারা এই আয়োজনের ক্ষেত্রে আন্তরিকতার পরিচয় দিবে এবং মজার কিছু শেয়ার করার চেষ্টা করবে, পুরস্কারের ক্ষেত্রে তাদেরকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
এবিবি-ফান এর মাধ্যমে প্রতি সপ্তাহের বুধবার এবিবি একটু হাসি পোষ্ট শেয়ার করা হবে, যেখানে প্রতি সপ্তাহে ভিন্ন ভিন্ন বিষয় নির্বাচন করা হবে। আপনারা সেই বিষয়টির সাথে সামঞ্জস্য রেখে নিজের মতো করে কৌতুক অথবা মজার কোন হাসির অনু গল্প শেয়ার করবেন। এখানে মূল উদ্দেশ্য থাকবে হাসি, এমন কিছু শেয়ার করতে হবে সবাই যেন প্রাণ খুলে হাসার সুযোগ পায়। সেটা আপনার নিজের হতে পারে কিংবা সংগৃহীত হতে পারে, তবে এই ক্ষেত্রে অবশ্যই নিয়মের ভিতর থাকতে হবে, যেন কপিরাইট এর বিষয়টি সামনে আসতে না পারে।
আমাদের জীবনে মজার নানা ঘটনা রয়েছে, যেখানে হাসির একটা বিষয়ও সংযুক্ত রয়েছে। যেগুলো স্মরণ হলে এখনো আমরা মনে মনে হাসি অথবা লুকিয়ে হাসার চেষ্টা করি। আমরা আড়ালে থাকা সেই বিষয়গুলোকে সম্মুখে আনতে চাই এবং সকলের সাথে তা শেয়ার করার মাধ্যমে একটু অন্য রকমভাবে দিনটি উপভোগ্য করতে চাই। কৌতুকের ব্যাপারে একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, কৌতুক মোটেও কপিরাইটেড না। তবে সেটা সংগৃহীত পুরনো কৌতুক হবে, যদি ক্রিয়েটিভ কৌতুক হয় যেটার লেখকের নাম জানা আছে সেটা কপিরাইটেড। আশা করছি বিষয়টি পরিস্কার এখন।
আজকের বিষয়ঃ
শীতকালে খেজুর রস খাওয়া নিয়ে মজার কোন জোকস বা অনুগল্প।
বিষয় নির্বাচনকারীঃ
অংশগ্রহণের নিয়মাবলীঃ
- কৌতুক/হাসির অনু গল্প সর্বোচ্চ ৭৫ শব্দের মাধ্যমে দিতে হবে।
- একজন ইউজার শুধুমাত্র একটি কৌতুক/হাসির অনু গল্প শেয়ার করতে পারবে।
- কৌতুক/হাসির অনু গল্প অবশ্যই উপরের বিষয়ে সাথে সামঞ্জস্য/সংযুক্ত থাকতে হবে।
- এডাল্ট কিছু শেয়ার করা যাবে না, তবে সকলের সাথে ভাগ করে নেয়া যায় সেই ধরনের কিছু শেয়ার করা যাবে।
- পোষ্টটি অবশ্যই রিস্টিম করতে হবে।
ধন্যবাদ সবাইকে।
| আমার বাংলা ব্লগের ডিসকর্ডে জয়েন করুনঃ | ডিসকর্ড লিংক |
|---|





সনির আখড়ায় রাস্তার পাশে প্রতিদিন সন্ধার পরে কয়েক জন লোক প্রতি গ্লাস ২০ টাকা করে খেজুরের রস বিক্রি করে। মানুষ যেন বিশ্বাস করে এটা খেজুরের রস, সে জন্য বিক্রেতারা মাটির কলসি দিয়ে রস নিয়ে আসে। অথচ ঢাকা বিভাগের কোথাও প্রতিদিন রস আসে এমন খেজুর গাছ নাই,হে হে হে।😁
আমাদের গ্রামে সাধারণত কাঁচা খেজুরের রস আমরা খাই না। আমরা সবসময় খেজুরের রস দিয়ে ক্ষীর পাকিয়ে খাই। তেমনই এক রাতে, আমরা ক্ষীর পাকিয়ে খাচ্ছিলাম ১২-১৩ জন। গল্পচ্ছলে বেশ জোরে হাসাহাসি করছিলাম। গ্রামের শীতের রাত। বাড়ির দুইজন দাদু-নানু এসে আমাদের বকাঝকা করলো জোরে হাসাহাসির জন্য।
এখন উনারা চলে যাবে, দেখি বড় গামলা বের করে বলতেছে,
আমরা আবার হাসাহাসি করলাম। দিতে দিতে বললাম,
আমরা সব বন্ধুরা মিলে একটা সিদ্ধান্ত নিলাম খেজুরের রস খাব,কিন্তু রস খাওয়া টা হবে চুরি করে খাওয়া
শীতের ভোরে গাছিকে ফাঁকি দিয়ে রস চুরি করার জন্য আমরা বিল পাড়ে গেলাম। টুলে উঠে হাঁড়িতে সবে মুখ লাগিয়েছি, অমনি টুলটা ফসকে গেল। আমি হাঁড়িটাকে দুহাতে জাপটে ধরে ডালে ঝুলে রইলাম। গাছি দূর থেকে চেঁচিয়ে বলল, "এই কে রে, রস চোর।"
সে দৌড়ে আসার আগেই আমি হাঁড়ি সমেত মাটিতে লাফ দিলাম। আমি এক লাফে হাঁড়িটি নিয়েই শিয়াল-দৌড় দিলাম। গাছি কাছে এসে আমাকে ধরতে পারল না। সে রেগে চিৎকার করে বলল, "আরে বাবা, এ তো দেখি চোর নয়, সোজাসুজি ডাকাত।"
বিশেষ দ্রষ্টব্য :-অনু গল্পটা সবাই মজা হিসেবে নিবেন, কেউ সিরিয়াস ভাবে নেবেন না। কারণ খেজুরের গাছটা ছিল আমার মামার তাই চুরি করার সাহস পেয়েছি।
যেহেতু বন্ধুরা সবাই রস খেতে চেয়েছে। তাই এই কাজটা করেছি।